ISI-সমর্থিত মডিউলের ৪ মূল অপারেটিভ
🔴 আন্তর্জাতিক অস্ত্র পাচার চক্র: ISI-সমর্থিত মডিউলের ৪ মূল অপারেটিভ
দিল্লি-এনসিআরকে অস্থিতিশীল করার গোপন পরিকল্পনা
🕵️ ARTICLE 1: মানদীপ সিং — সীমান্ত লজিস্টিক বিশেষজ্ঞ
👤 ব্যক্তিগত তথ্য
| তথ্য | বিবরণ |
|---|---|
| নাম | মানদীপ সিং |
| বয়স | ৩৮ বছর |
| বাসস্থান | পাঞ্জাব, ভারত |
| অপরাধমূলক ভূমিকা | সীমান্ত থেকে অস্ত্র সংগ্রহ ও সরবরাহকারী লিংকম্যান |
⚠️ অপরাধের বিবরণ: সীমান্ত পেরিয়ে অস্ত্র পাচার
🚁 ড্রোন অপারেশন
মানদীপ সিং পাকিস্তানভিত্তিক ISI-সমর্থিত হ্যান্ডলারদের সঙ্গে সমন্বয় করত।
পাঞ্জাব সীমান্তের কাছে ড্রোনের মাধ্যমে ফেলা অস্ত্র সংগ্রহ করাই ছিল তার প্রধান কাজ।
🛰️ পাচার নেটওয়ার্ক
স্থানীয় সহযোগীরা পুলিশের গতিবিধি নজরদারি করত।
অস্ত্র নিরাপদে সংগ্রহ করে গোপন আস্তানায় পৌঁছে দেওয়া হতো।
🔫 উদ্ধার হওয়া অস্ত্র
চক্রটি উচ্চমানের বিদেশি অস্ত্র পাচারে জড়িত ছিল, যার মধ্যে রয়েছে:
Turkish-made PX-5.7 pistol
Chinese PX-3 pistol
এই অস্ত্র সাধারণ অপরাধীদের কাছে সচরাচর দেখা যায় না এবং বিশেষ বাহিনীর ব্যবহৃত অস্ত্র হিসেবে পরিচিত।
💰 অর্থ লেনদেন
পুরো চক্রের অর্থ আদান-প্রদান করা হতো হাওলা চ্যানেলের মাধ্যমে।
এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের পরিচয় গোপন রাখা হতো।
🚔 বর্তমান অবস্থা
📍 গ্রেপ্তার
দিল্লি পুলিশের Crime Branch তাকে রোহিণী সেক্টর ২৮ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।
সে তখন একটি বড় অস্ত্র চালান সরবরাহের চেষ্টা করছিল।
📱 তদন্ত
তার মোবাইল ফোন ও সোশ্যাল মিডিয়া যোগাযোগের ফরেনসিক বিশ্লেষণ চলছে।
আরও আন্তর্জাতিক সংযোগ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে তদন্তকারীরা।
🕵️ ARTICLE 2: দলবিন্দর কুমার — আন্তঃরাজ্য অস্ত্র সরবরাহকারী
👤 ব্যক্তিগত তথ্য
| তথ্য | বিবরণ |
|---|---|
| নাম | দলবিন্দর কুমার |
| বয়স | ৩৪ বছর |
| বাসস্থান | পাঞ্জাব, ভারত |
| অপরাধমূলক ভূমিকা | পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ ও দিল্লির মডিউল সংযোগকারী |
⚠️ অপরাধের বিবরণ: NCR-কে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা
🧨 ষড়যন্ত্র
ISI-সমর্থিত নেটওয়ার্কের নির্দেশে কাজ করত।
উদ্দেশ্য ছিল দিল্লি ও আশপাশের রাজ্যে গ্যাংদের আধুনিক অস্ত্র সরবরাহ করে অপরাধ বাড়ানো।
🔫 উদ্ধার হওয়া অস্ত্র
পুলিশ তার কাছ থেকে উদ্ধার করে:
১০টি বিদেশি সেমি-অটোমেটিক পিস্তল
৯২ রাউন্ড জীবন্ত কার্তুজ
👥 গ্যাং সংযোগ
এই অস্ত্র সরবরাহের লক্ষ্য ছিল ভারতের কুখ্যাত অপরাধচক্রগুলো:
Lawrence Bishnoi Gang
Gogi Gang
Himanshu Bhau Gang
🚛 পাচারের কৌশল
আন্তঃরাজ্য রুট সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান ব্যবহার করত।
নিরাপদ বাড়ি (safe house) ব্যবহার করে অস্ত্র পরিবহন করত।
উচ্চমানের Turkish ও Chinese pistol সরবরাহ করত।
🚔 বর্তমান অবস্থা
📍 গ্রেপ্তার
রোহিণীতে পুলিশের ফাঁদে হাতে-নাতে ধরা পড়ে।
🔎 তদন্ত
এর আগে দিল্লির গ্যাংদের কাছে অস্ত্র সরবরাহ করেছিল কিনা তা তদন্ত করছে পুলিশ।
🕵️ ARTICLE 3: রোহন তোমর ও অজয় — দিল্লি ডিস্ট্রিবিউশন হাব
👤 ব্যক্তিগত তথ্য
| নাম | বয়স | ভূমিকা |
|---|---|---|
| রোহন তোমর | ৩০ | অস্ত্র সরবরাহকারী লিংকম্যান |
| অজয় | ৩৭ | দিল্লি নেটওয়ার্ক সমন্বয়কারী |
⚠️ অপরাধের বিবরণ: কুখ্যাত গ্যাংদের অস্ত্র সরবরাহ
📦 অস্ত্র ডেলিভারি
পাঞ্জাবভিত্তিক অপারেটিভদের কাছ থেকে অস্ত্র গ্রহণ করত।
পরে তা দিল্লি-এনসিআরের কুখ্যাত গ্যাংদের কাছে পৌঁছে দিত।
🔫 উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন অস্ত্র
তারা বিশেষভাবে সরবরাহ করত:
Turkish PX-5.7
উচ্চগতির আধুনিক পিস্তল
এলিট ফোর্সে ব্যবহৃত অস্ত্র হিসেবে পরিচিত
🔗 নেটওয়ার্কে ভূমিকা
পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ ও দিল্লির মধ্যে সংযোগকারী হিসেবে কাজ করত।
আন্তর্জাতিক অস্ত্র পাচার চক্রের শেষ ধাপের বিতরণকারী ছিল।
🎯 কৌশলগত প্রভাব
আধুনিক অস্ত্র সরবরাহের মাধ্যমে দিল্লির আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ করার পাকিস্তান-সমর্থিত পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে অভিযোগ।
🚔 বর্তমান অবস্থা
📍 গ্রেপ্তার
গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে দিল্লি Crime Branch রোহিণী সেক্টর ২৮ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।
💳 তদন্ত
ব্যাংক লেনদেন ও ডিজিটাল কার্যকলাপ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সহযোগীদের সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
📚 সূত্র ও রেফারেন্স
The New Indian Express — “Delhi Police bust ISI-backed international arms module, seize Special Forces-grade weapons” (২৫ মে ২০২৬)
ANI — Crime Branch Official Report
Arpan News YouTube Report — Rohini illegal weapons seizure investigation
📌 সারসংক্ষেপ
ড্রোনে সীমান্ত পেরিয়ে অস্ত্র ফেলা,
হাওলা চ্যানেলে অর্থ লেনদেন,
বিদেশি স্পেশাল-ফোর্স গ্রেড পিস্তল সরবরাহ,
এবং দিল্লির কুখ্যাত গ্যাংদের হাতে আধুনিক অস্ত্র পৌঁছে দেওয়া —
এই পুরো চক্রটি ভারতের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
Comments
Post a Comment